ছাত্র রাজনীতি কোন পথে যাচ্ছে? রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ কি চাচ্ছেন? স্বৈরাচার আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠুক?
ছাত্রদল ও ছাত্র শিবির এর সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ক্যারিয়ার আছে। আন্দোলন সংগ্রামে তাদের অংশ গ্রহন ও অবদান স্বীকৃত। অতি সম্প্রতি তাদের মুখোমুখি অবস্হান, একে অন্যের উপর হামলা, মারামারি ছাত্র রাজনীতির জন্য তথা দেশের অমঙ্গলকর। ৫ই আগষ্টের গন- অভ্যুথানে ছাত্রদের অবদান সবচেয়ে বেশি। যদিও নাম ভূমিকায় আছে "বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন" নামক ছাত্র সংগঠন। তবে অন্য ছাত্র সংগঠনের ভূমিকা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন (বৈছাআ) হলো বাংলাদেশের সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি সংগঠন। ২০২৪ সালে বাংলাদেশে কোটা আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে এটি গঠিত হয় এবং এটি কোটা সংস্কার আন্দোলন ও পরবর্তীতে অসহযোগ আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। ২০২৪ সালের ১ জুলাই সংগঠনটি সৃষ্টি হয় এবং সৃষ্টির পরপরই আন্দোলন সফল করার জন্য ৮ জুলাই সংগঠনটি ৬৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি ঘোষণা করে, যার মধ্যে ২৩ জন সমন্বয়ক ও ৪২ জন সহ-সমন্বয়ক ছিলেন। আন্দোলনের মাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ার পর ৩রা আগস্টে সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিয়ে ১৫৮ সদস্যের সমন্বয়ক দল গঠন করে, যার মধ্যে ৪৯ জন সমন্বয়ক ও ১০৯ জন সহ-সমন্বয়ক ছিলেন। সুতরাং ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বা দলের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ "ছাত্র সমন্বয়ক" শব্দটি শুনলেই নাক ছিটকানোর সুযোগ নেই। তাদের নিয়েই কাজ করুন। সাফল্য আসবেই। ছাত্র সংগঠন সমূহ যদি নিজেদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করতে ব্যার্থ হয়, তাহলে সৈরাচার ও তাদের দোসররা আবার মাথা ছাড়া দিয়ে উঠবে। বিশেষ করে ইন্ডিয়ান বিভিন্ন এজেন্সী, ছাত্র সংগঠন গুলোতে বিভেদ তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে।
লিখক: সম্পাদক, ভয়েস অব ফেনী।