নিজস্ব প্রতিবেদক। ফেনী
সরকারি সহায়তায় প্রাপ্ত লবণ ব্যবহার করে কুরবানির পশুর চামড়া সংরক্ষণ করেও ন্যায্য মূল্য না পাওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছে ফেনী সদর উপজেলার ফাজিলপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান মাদ্রাসা মুহাম্মাদীয়া আরাবীয়া।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সময়মতো লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করা হয়। যথাযথ পরিচর্যা ও মান নিয়ন্ত্রণের কারণে একটি চামড়াও নষ্ট হয়নি। এরপরও বাজারে প্রত্যাশিত দাম না পাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়েছে।
মাদ্রাসার সুপার ফয়েজ উল্ল্যাহ হাসান বলেন, সরকারের নির্দেশনা মেনে কঠোর পরিশ্রম করে চামড়া সংরক্ষণ করেছি। কিন্তু বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাবের কারণে ন্যায্য মূল্য পাওয়া যায়নি। এতে মাদ্রাসা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আমরা হতাশ।
স্থানীয়দের মতে, প্রতি বছর কুরবানির মৌসুমে চামড়ার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার ঘোষণা দেওয়া হলেও বাস্তবে অনেক মাদ্রাসা, এতিমখানা ও ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কাঙ্ক্ষিত দাম থেকে বঞ্চিত হয়। ফলে এসব প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ আয়ের একটি উৎস দিন দিন সংকুচিত হয়ে পড়ছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, চামড়া খাতে মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেটের প্রভাব কমিয়ে সরকারি তদারকি বাড়ানো এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হলে মাদ্রাসা ও এতিমখানাগুলো তাদের প্রাপ্য অর্থ পাবে, যা তাদের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।