
০-৬ মাস ও ৯ মাসের নিচের শিশুকে হামের সময় কীভাবে নিরাপদ রাখবেন।
১. “Passive Immunity”(প্রাকৃতিক সুরক্ষা): ০-৬ মাসের শিশুরা মায়ের শরীর থেকে কিছু অ্যান্টিবডি নিয়ে জন্মায়। এটাকে বলে Passive Immunity। যদি মা আগে হাম হয়ে থাকে বা টিকা নিয়ে থাকেন, তাহলে শিশুর শরীরে কিছু প্রোটেকশন থাকে কিন্তু ১০০% নয়। তাই এই বয়সে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি কমানো।
২. ভিড় ও বাইরে যাওয়া কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করুন: এই বয়সে শিশুর ইমিউন সিস্টেম এখনও পুরোপুরি শক্ত না। তাই এ সব বিষয় এড়িয়ে চলুন:
১। শপিং মল, মার্কেট ২। বিয়ে, দাওয়াত ৩। হাসপাতালের ভিড় (জরুরি না হলে) ৪। অসুস্থ মানুষের সংস্পর্শ।
দরকার হলে খুব কম সময়ের জন্য বের হন। শিশুকে ঢেকে রাখুন কিন্তু শ্বাস নিতে সমস্যা যেন না হয়।
৩. “Controlled Home Environment” তৈরি করুন: বাড়িই হবে শিশুর সবচেয়ে নিরাপদ জায়গা।
নিয়মগুলো: বাইরে থেকে কেউ এলে আগে হাত ধোয়া বাধ্যতামূলক। জ্বর/কাশি থাকলে শিশুর কাছে আসতে দিবেন না। কাপড় পরিবর্তন করে তারপর বাচ্চাকে ধরুন।
কারণ: Measles virus বাতাসে ছড়ায় এবং কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।
৪. বুকের দুধই সবচেয়ে বড় সুরক্ষা (Exclusive breastfeeding) শুধু বুকের দুধ ৬ মাস পর্যন্ত। এতে থাকে: Antibodies, Immune boosting factorsl. Breastfeeding শিশুর immune system “train” করতে সাহায্য করে।
৫. Hygiene মানেই First Defense: প্রতিদিনের অভ্যাস হাত ধোয়া সাবান দিয়ে ২০ সেকেন্ড, শিশুর জিনিস পরিষ্কার রাখা।
৬. Caregiver Circle ছোট রাখুন: যত কম মানুষ শিশুর সংস্পর্শে আসবে, তত ভালো। সীমিত রাখুন: শুধুমাত্র বাবা-মা, খুব কাছের সুস্থ মানুষ। বারবার কোলে নেওয়া, চুমু দেওয়া এখন “NO” বলুন।
৭. বাসায় কেউ অসুস্থ হলে কী করবেন: শিশুকে আলাদা রুমে রাখুন। মাস্ক ব্যবহার করুন।
লক্ষণ: জ্বর, কাশি, নাক দিয়ে পানি, চোখ লাল, শরীরে ফুসকুড়ি। এসব লক্ষন দেখলে সাথে সাথে ডাক্তারের কাছে যান। নিজে থেকে ওষুধ দেবেন না।
১০. Parent Mindset (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ): ভয় নয়, সচেতনতা। নিউরোসায়েন্স অনুযায়ী, মা-বাবার অতিরিক্ত ভয় শিশুর উপরও প্রভাব ফেলে (stress hormone increase)। তাই শান্ত থাকুন, নিয়ম মেনে চলুন, Overthinking না করে preventive steps নিন।