
ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট সংক্ষেপে ইউপিডিএফ, পাহাড়ের একটি আঞ্চলিক বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসী সংগঠন। এটি ১৯৯৭ সালের ২-রা ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি সম্পাদিত হওয়ার পর চুক্তির বিরোধিতা করে স্বায়ত্তশাসন দাবি রেখে সংগঠনটি ঢাকায় এক কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। কোন গণতন্ত্র বা সৎ উদ্দেশ্য নয় বরং পার্বত্য চট্টগ্রামকে অস্থিতিশীল করে তুলতে ইউপিডিএফ সক্রিয় হয়ে উঠেছে। তারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো, অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে পাহাড়ে হামলা চালানো, চাঁদাবাজি ও অপহরণে জড়িয়ে পড়েছে। তারা বাংলাদেশকে হুমকির মুখে ফেলতে চায়।
তাই, পার্বত্যাঞ্চলে অন্তত আড়াইশ নতুন সেনা ক্যাম্প স্থাপন করা ছাড়া বিকল্প নেই। নতুন ক্যাম্প হলে প্রতিটি রুটে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া জানানো যাবে,
অস্ত্রপ্রবাহ বন্ধ হবে এবং চাঁদাবাজি ও অপহরণ বন্ধ করা সম্ভব হবে।
শান্তিচুক্তির আওতায় ক্যাম্প কমে যাওয়ায় শয়তানী চক্রগুলো শক্তি সঞ্চয় করেছে। তারা প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি করছে এবং তা এখন ব্যবসা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অপহরণ ও হত্যাকাণ্ড যেন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এ পর্যন্ত তারা ৩৩২ জনকে অপহরণ করেছে। তাদের হাতে ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৮৯ জন হত্যার শিকার হয়েছেন, যাদের মধ্যে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য যেমন রয়েছেন, তেমনি সেনাবাহিনীর ১৬ সদস্যও রয়েছেন।
এরা মূলত ভারতের মিজোরামের ক্যাম্প থেকে অস্ত্র ও প্রশিক্ষণ নিয়ে এসে নাশকতা চালাচ্ছে। তাই, পার্বত্য অঞ্চলকে রক্ষা করার জন্য দ্রুত ব্যবস্থা হিসেবে সেনা ক্যাম্প স্থাপন অপরিহার্য। সীমান্ত সড়ক গুলোতে টহল জোরদার করা হলে
বা নতুন ক্যাম্প হলে সন্ত্রাসীরা আর মাথা তুলতে দাড়াতে পারবে না।
সেজন্য সাম্প্রতিক সময়ে ইউপিডিএফ-এর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সরকারকে বেশ শক্ত অবস্থান নেয়া জরুরি বলে মনে করছি।