
নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিভিন্ন এলাকায় বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরির ঘটনায় সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে নতুন ট্রান্সফরমারের খরচ আদায়ের উদ্যোগ নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। ট্রান্সফরমার চুরির দায় গ্রাহকদের ওপর চাপানো কতটা যৌক্তিক—এমন প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বিদ্যুৎ গ্রাহকরা।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, তারা নিয়মিত বিদ্যুৎ বিলসহ নির্ধারিত সরকারি ফি পরিশোধ করে থাকেন। বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্র ট্রান্সফরমার চুরি হয়ে যাওয়ার পর এর মূল্য সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করা হলে সেটি তাদের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক বোঝা তৈরি করে।
গ্রাহকদের দাবি, প্রথমে তদন্ত করে ট্রান্সফরমারটির মালিকানা, নিরাপত্তার দায়িত্ব এবং চুরির ঘটনায় কারও দায়িত্ব বা অবহেলা ছিল কি না—তা নির্ধারণ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে চুরির ঘটনায় মামলা বা সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে কি না এবং কোন বিধি বা পরিপত্রের ভিত্তিতে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হচ্ছে, সেটিও স্পষ্ট করা উচিত।
স্থানীয় একাধিক গ্রাহক বলেন, “ট্রান্সফরমার চুরি করেছে চোর, অথচ এর দায় কেন সাধারণ গ্রাহক নেবে? আমরা নিয়মিত বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করি। কোনো লিখিত বিধি বা আদেশ থাকলে সেটি গ্রাহকদের জানানো হোক।”
এলাকাবাসী দ্রুত নতুন ট্রান্সফরমার স্থাপন করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করার পাশাপাশি গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হবে।